জাবি প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
জাবি প্রতিনিধি

জাবি প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
জাবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৬, ১৩: ৫৩

উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: প্রতিনিধি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্তকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে না পারায় প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলমের পদত্যাগ দাবিতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে রাতভর অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (১৬ মে) রাত দেড়টার দিকে শিক্ষার্থীরা টারজান চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছাত্রী হল প্রদক্ষিণ করে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। একই সঙ্গে তারা প্রক্টর ও পুরো প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।
বুধবার রাতে বিক্ষোভের পর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রশাসনের বৈঠকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা জানিয়ে দেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার না হলে প্রক্টরের পদত্যাগের দাবি আরও জোরালো হবে।
৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা শেষ হওয়ার পর আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, বারবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যর্থ হওয়ায় প্রক্টরের নৈতিকভাবে দায়িত্বে থাকার অধিকার নেই।
ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী লামিশা জামান বলেন, গত দুই বছরে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার কারণে প্রক্টরিয়াল বডির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাই সর্বসম্মতিক্রমে তাদের পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে।
নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী সোহাগী সামিয়া বলেন, আড়াই বছর ধরে আমরা এই প্রক্টরিয়াল বডিকে সময় দিয়েছি। এই সময়ে নারী শিক্ষার্থীরা বারবার হয়রানির শিকার হয়েছেন। কিন্তু তারা কোনো ঘটনার সমাধান করতে পারেননি। আমরা হতাশ। এখন আর সময় দেওয়ার সুযোগ নেই। প্রক্টরকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে।
রাত আড়াইটার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। এসময় উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে কোনো শিক্ষক, শিক্ষার্থী বা কর্মকর্তা অপরাধ করলে প্রক্টরিয়াল বডি বিষয়টি দেখে। কিন্তু বাইরের কেউ অপরাধ করলে সেটি মূলত পুলিশের এখতিয়ারভুক্ত অপরাধ।
শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়ার মুখে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া আছে। শিক্ষার্থীরা বাসভবনের সামনে দাঁড়িয়ে দাবি করলেই প্রক্টর পদত্যাগ করতে পারেন না। প্রক্টরিয়াল বডির কোনো গাফিলতি ছিল কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হবে।
তবে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যান। ভোর ৫টার পর প্রক্টর অধ্যাপক রাশিদুল আলম ঘটনাস্থলে এসে বলেন, গত ১৮ মাস তিনি শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণে কাজ করেছেন। পুরো ক্যাম্পাস সিসিটিভির আওতায় আনা, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং বহু প্রতীক্ষিত জাকসু নির্বাচন সম্পন্ন করার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনার পর আমরা মামলা করেছি এবং প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিয়েছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করবে বলে আশা করছি।
পদত্যাগের দাবির মুখে প্রক্টর বলেন, মাননীয় উপাচার্য আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। তিনি যদি পদত্যাগ করতে বলেন, আমি সঙ্গে সঙ্গে পদত্যাগ করব। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো আছে, বিষয়গুলো সেভাবেই সমাধান হওয়া উচিত।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্তকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে না পারায় প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলমের পদত্যাগ দাবিতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে রাতভর অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (১৬ মে) রাত দেড়টার দিকে শিক্ষার্থীরা টারজান চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছাত্রী হল প্রদক্ষিণ করে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। একই সঙ্গে তারা প্রক্টর ও পুরো প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।
বুধবার রাতে বিক্ষোভের পর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রশাসনের বৈঠকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা জানিয়ে দেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার না হলে প্রক্টরের পদত্যাগের দাবি আরও জোরালো হবে।
৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা শেষ হওয়ার পর আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, বারবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যর্থ হওয়ায় প্রক্টরের নৈতিকভাবে দায়িত্বে থাকার অধিকার নেই।
ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী লামিশা জামান বলেন, গত দুই বছরে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার কারণে প্রক্টরিয়াল বডির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাই সর্বসম্মতিক্রমে তাদের পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে।
নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী সোহাগী সামিয়া বলেন, আড়াই বছর ধরে আমরা এই প্রক্টরিয়াল বডিকে সময় দিয়েছি। এই সময়ে নারী শিক্ষার্থীরা বারবার হয়রানির শিকার হয়েছেন। কিন্তু তারা কোনো ঘটনার সমাধান করতে পারেননি। আমরা হতাশ। এখন আর সময় দেওয়ার সুযোগ নেই। প্রক্টরকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে।
রাত আড়াইটার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। এসময় উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে কোনো শিক্ষক, শিক্ষার্থী বা কর্মকর্তা অপরাধ করলে প্রক্টরিয়াল বডি বিষয়টি দেখে। কিন্তু বাইরের কেউ অপরাধ করলে সেটি মূলত পুলিশের এখতিয়ারভুক্ত অপরাধ।
শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়ার মুখে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া আছে। শিক্ষার্থীরা বাসভবনের সামনে দাঁড়িয়ে দাবি করলেই প্রক্টর পদত্যাগ করতে পারেন না। প্রক্টরিয়াল বডির কোনো গাফিলতি ছিল কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হবে।
তবে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যান। ভোর ৫টার পর প্রক্টর অধ্যাপক রাশিদুল আলম ঘটনাস্থলে এসে বলেন, গত ১৮ মাস তিনি শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণে কাজ করেছেন। পুরো ক্যাম্পাস সিসিটিভির আওতায় আনা, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং বহু প্রতীক্ষিত জাকসু নির্বাচন সম্পন্ন করার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনার পর আমরা মামলা করেছি এবং প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিয়েছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করবে বলে আশা করছি।
পদত্যাগের দাবির মুখে প্রক্টর বলেন, মাননীয় উপাচার্য আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। তিনি যদি পদত্যাগ করতে বলেন, আমি সঙ্গে সঙ্গে পদত্যাগ করব। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো আছে, বিষয়গুলো সেভাবেই সমাধান হওয়া উচিত।

জাবি প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
জাবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৬, ১৩: ৫৩

উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: প্রতিনিধি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্তকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে না পারায় প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলমের পদত্যাগ দাবিতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে রাতভর অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (১৬ মে) রাত দেড়টার দিকে শিক্ষার্থীরা টারজান চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছাত্রী হল প্রদক্ষিণ করে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। একই সঙ্গে তারা প্রক্টর ও পুরো প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।
বুধবার রাতে বিক্ষোভের পর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রশাসনের বৈঠকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা জানিয়ে দেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার না হলে প্রক্টরের পদত্যাগের দাবি আরও জোরালো হবে।
৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা শেষ হওয়ার পর আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, বারবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যর্থ হওয়ায় প্রক্টরের নৈতিকভাবে দায়িত্বে থাকার অধিকার নেই।
ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী লামিশা জামান বলেন, গত দুই বছরে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার কারণে প্রক্টরিয়াল বডির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাই সর্বসম্মতিক্রমে তাদের পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে।
নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী সোহাগী সামিয়া বলেন, আড়াই বছর ধরে আমরা এই প্রক্টরিয়াল বডিকে সময় দিয়েছি। এই সময়ে নারী শিক্ষার্থীরা বারবার হয়রানির শিকার হয়েছেন। কিন্তু তারা কোনো ঘটনার সমাধান করতে পারেননি। আমরা হতাশ। এখন আর সময় দেওয়ার সুযোগ নেই। প্রক্টরকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে।
রাত আড়াইটার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। এসময় উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে কোনো শিক্ষক, শিক্ষার্থী বা কর্মকর্তা অপরাধ করলে প্রক্টরিয়াল বডি বিষয়টি দেখে। কিন্তু বাইরের কেউ অপরাধ করলে সেটি মূলত পুলিশের এখতিয়ারভুক্ত অপরাধ।
শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়ার মুখে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া আছে। শিক্ষার্থীরা বাসভবনের সামনে দাঁড়িয়ে দাবি করলেই প্রক্টর পদত্যাগ করতে পারেন না। প্রক্টরিয়াল বডির কোনো গাফিলতি ছিল কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হবে।
তবে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যান। ভোর ৫টার পর প্রক্টর অধ্যাপক রাশিদুল আলম ঘটনাস্থলে এসে বলেন, গত ১৮ মাস তিনি শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণে কাজ করেছেন। পুরো ক্যাম্পাস সিসিটিভির আওতায় আনা, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং বহু প্রতীক্ষিত জাকসু নির্বাচন সম্পন্ন করার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনার পর আমরা মামলা করেছি এবং প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিয়েছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করবে বলে আশা করছি।
পদত্যাগের দাবির মুখে প্রক্টর বলেন, মাননীয় উপাচার্য আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। তিনি যদি পদত্যাগ করতে বলেন, আমি সঙ্গে সঙ্গে পদত্যাগ করব। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো আছে, বিষয়গুলো সেভাবেই সমাধান হওয়া উচিত।
/এসআর/




