নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে চবিতে ছাত্রলীগ নেতার অবস্থান

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে চবিতে ছাত্রলীগ নেতার অবস্থান
চবি সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে এককভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন সংগঠনটির সাবেক এক নেতা।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার চত্বরে প্ল্যাকার্ড হাতে অবস্থান নেন শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক ওয়াহিদুল আলম। তার এই একক অবস্থান কর্মসূচি ক্যাম্পাসে আলোচনার সৃষ্টি করে।
তার হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল ‘ছাত্রলীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার কর, করতে হবে’ এবং ‘রাজনৈতিক রাজবন্দিদের মুক্তি চাই, দিতেই হবে’।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওয়াহিদুল আলম বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন জোবরা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী। এর আগেও তিনি ক্যাম্পাস ও নিজ এলাকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত থাকার চেষ্টা করেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি বলেন, আমাদের অবস্থান সবসময় ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে। তারা আগে গোপনে কার্যক্রম চালালেও এখন প্রকাশ্যে এসেছে। আমরা প্রশাসনকে বিষয়টি জানাবো এবং আইনগত ব্যবস্থা নিতে চাপ দেবো।
চবি ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন বলেন, আজকে একজন একা নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়েছে। এর আগেও সে ক্যাম্পাসের গেটে কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়েছে। কিন্তু প্রশাসন তখন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। প্রশাসনের দুর্বলতার কারণেই এমন ঘটনা ঘটছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, ঘটনাটি শহিদ মিনার এলাকায় ঘটেছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, সে ছবি তোলার পরপরই স্থান ত্যাগ করেছে। বিষয়টি কেউ লক্ষ্য করার আগেই সে চলে যায়। তাকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে এককভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন সংগঠনটির সাবেক এক নেতা।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার চত্বরে প্ল্যাকার্ড হাতে অবস্থান নেন শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক ওয়াহিদুল আলম। তার এই একক অবস্থান কর্মসূচি ক্যাম্পাসে আলোচনার সৃষ্টি করে।
তার হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল ‘ছাত্রলীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার কর, করতে হবে’ এবং ‘রাজনৈতিক রাজবন্দিদের মুক্তি চাই, দিতেই হবে’।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওয়াহিদুল আলম বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন জোবরা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী। এর আগেও তিনি ক্যাম্পাস ও নিজ এলাকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত থাকার চেষ্টা করেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি বলেন, আমাদের অবস্থান সবসময় ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে। তারা আগে গোপনে কার্যক্রম চালালেও এখন প্রকাশ্যে এসেছে। আমরা প্রশাসনকে বিষয়টি জানাবো এবং আইনগত ব্যবস্থা নিতে চাপ দেবো।
চবি ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন বলেন, আজকে একজন একা নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়েছে। এর আগেও সে ক্যাম্পাসের গেটে কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়েছে। কিন্তু প্রশাসন তখন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। প্রশাসনের দুর্বলতার কারণেই এমন ঘটনা ঘটছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, ঘটনাটি শহিদ মিনার এলাকায় ঘটেছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, সে ছবি তোলার পরপরই স্থান ত্যাগ করেছে। বিষয়টি কেউ লক্ষ্য করার আগেই সে চলে যায়। তাকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে চবিতে ছাত্রলীগ নেতার অবস্থান
চবি সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে এককভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন সংগঠনটির সাবেক এক নেতা।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার চত্বরে প্ল্যাকার্ড হাতে অবস্থান নেন শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক ওয়াহিদুল আলম। তার এই একক অবস্থান কর্মসূচি ক্যাম্পাসে আলোচনার সৃষ্টি করে।
তার হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল ‘ছাত্রলীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার কর, করতে হবে’ এবং ‘রাজনৈতিক রাজবন্দিদের মুক্তি চাই, দিতেই হবে’।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওয়াহিদুল আলম বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন জোবরা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী। এর আগেও তিনি ক্যাম্পাস ও নিজ এলাকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত থাকার চেষ্টা করেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি বলেন, আমাদের অবস্থান সবসময় ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে। তারা আগে গোপনে কার্যক্রম চালালেও এখন প্রকাশ্যে এসেছে। আমরা প্রশাসনকে বিষয়টি জানাবো এবং আইনগত ব্যবস্থা নিতে চাপ দেবো।
চবি ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন বলেন, আজকে একজন একা নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়েছে। এর আগেও সে ক্যাম্পাসের গেটে কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়েছে। কিন্তু প্রশাসন তখন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। প্রশাসনের দুর্বলতার কারণেই এমন ঘটনা ঘটছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, ঘটনাটি শহিদ মিনার এলাকায় ঘটেছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, সে ছবি তোলার পরপরই স্থান ত্যাগ করেছে। বিষয়টি কেউ লক্ষ্য করার আগেই সে চলে যায়। তাকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




